تسجيل الدخول
تسجيل الدخول
تسجيل الدخول
اختر اللغة

Tafsir Ahsanul Bayaan التفسير: الرعد آية 34

٣٤:١٣
لهم عذاب في الحياة الدنيا ولعذاب الاخرة اشق وما لهم من الله من واق ٣٤
لَّهُمْ عَذَابٌۭ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَشَقُّ ۖ وَمَا لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مِن وَاقٍۢ ٣٤
لَّهُمۡﳛ
عَذَابٞﳜ
فِيﳝ
ٱلۡحَيَوٰةِﳞ
ٱلدُّنۡيَاۖﳟﳠ
وَلَعَذَابُﳡ
ٱلۡأٓخِرَةِﳢ
أَشَقُّۖﳣﳤ
وَمَاﳥ
لَهُمﳦ
مِّنَﳧ
ٱللَّهِﳨ
مِنﳩ
وَاقٖﳪ
٣٤ﳫ
تفاسير
الطبقات
فوائد
تدبرات
الإجابات
قراءات
الحديث

তাদের জন্য পার্থিব জীবনে আছে শাস্তি[১] এবং পরকালের শাস্তি তো আরো কঠোর।[২] আর আল্লাহর (শাস্তি) হতে রক্ষাকর্তা তাদের কেউ নেই।

[১] এর অর্থ হত্যা ও বন্দিদশা, যা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় এই কাফেরদের ভাগে আসে।

[২] যেমন নবী (সাঃ) লিআনকারী ও লিআনকারিণীকে বলেছিলেন, "দুনিয়ার শাস্তি আখেরাতের শাস্তির তুলনায় হাল্কা ও সহজ।" (মুসলিম, কিতাবুল লিআন, লিআনের সংজ্ঞা জানতে সূরা নূর ২৪:৭নং আয়াতের টীকা দ্রঃ) এ ছাড়া দুনিয়ার শাস্তি (যেমনই হোক এবং যতই হোক তা কাফেরদের জন্য) সাময়িক ও অস্থায়ী এবং আখেরাতের শাস্তি চিরস্থায়ী, যা শেষ হবে না। তাছাড়া জাহান্নামের আগুন দুনিয়ার আগুনের তুলনায় ঊনসত্তর গুণ বেশি তীব্র। অনুরূপ অন্য কিছুও রয়েছে। সুতরাং শাস্তির কঠিন হওয়ার ব্যাপারে কি সন্দেহ থাকতে পারে?